ফলোআপ ১ চাঁদপুর মতলবে ভুয়া ডাক্তার চাকুরীজীবী ডাক্তার দিয়ে চলছে অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাথলজি রমরমা ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের পাশেই সরকারি চাকুরজীবি ডাক্তার রাজিব কিশোর বনিক’ মোশারফ হোসেন হিমেল সরকারি নীতি মালা কে বৃদ্ধাংগুল দেখিয়ে ৭১ সদস্য মুলক বিজন্যাসের পার্টনার বানিয়ে এ্যাপোলো ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এই নামে প্রতিষ্ঠানটি। চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে গড়ে উঠেছে বড় ধরনের ডায়াগনস্টিক ও প্যাথলজি সেন্টার। তাতে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন মতলব উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। সরকারি হাসপাতালে আসা রোগীদের যত টিটম্যামেন্ট ও পরিক্ষা নিরিক্ষা দেয়া হয় তা সবই ওই এ্যাপোলো ডায়াগনষ্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠানে রোগীরা এখান থেকে রোগীরা যদি চিকিৎসা না নেওয়া হয় অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করা হলে ওই পরীক্ষাকে বাতিল করে ওই প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা নিয়ে আসতে বলা হয়। তাতে ভোগান্তিতে পরছে সাধারণ রোগীরা ও অর্থ সংকটে। সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালের ৫৭৬ফিট দুরত্ব বজায় না রেখে এ্যাপোলো ডায়াগনষ্টিক সেন্টার হাসপাতালের চালু করে রেখেছেন ভূয়া ডাক্তার নজরুল ইসলাম। তেমনি একজন ভুয়া বিশেষজ্ঞের সন্ধান পাওয়া যায় মতলব দক্ষিণ থানা রোডে অবস্থিত এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের ভিজিটিং কার্ড ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক পক্ষের ফেজবুক আইডি থেকে প্রচারিত লিফলেটে বিশেষজ্ঞ লেখা সেটাতে উল্লেখ করা হয়েছে হাড় জোড়া, বাত ব্যথা ও পঙ্গু রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অর্থোপেডিক সার্জন ডাঃ নজরুল ইসলাম (রিয়াদ) এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এম এস (অর্থো) রুগী দেখার সময় প্রতি বৃহস্পতিবার। তারি পাশাপাশি আবার কেউ কেউ খুলে বসেছেন সেবার নামে টাকা হাতানোর নতুন কৌশল। চিকিৎসার নামে টেষ্ট বাণিজ্য, বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিশেষজ্ঞ প্রচারে বিশেষজ্ঞ বনে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন টেস্ট বাণিজ্যের কমিশন ও বিশেষজ্ঞের ভিজিট।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করা ডাঃ নজরুল ইসলাম (রিয়াদ) এমবিবিএস পাস করা এমএস(অর্থো) কোর্স সম্পূর্ণ না করেই তিনি বিশেষজ্ঞ এমএস(অর্থো) লিখা সাঁটিয়ে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছেন বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে ডাঃ নজরুল ইসলাম রিয়াদ কেমোবাইল মুটো ফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তিনি বলেন, এটা প্রতারণা হলেও এর জন্য আমি দায়ী নয় ডায়াগনস্টিক কতৃর্পক্ষ ভুল করেছে আমাকে অবগত করেছেন আমি তাদেরকে বলবো ভুল সংশোধন করতে।

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার গোলাম কাউসার হিমেল বলেন, এব্যাপারে আমি জানি না তবে অফিস সময়ে আসবেন সরাসরি বিস্তারিত কথা বলবো।
চাদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা: মো: শাখাওয়াত উল্লাহ সাথে মোবাইল মটো ফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তিনি বলেন, কোনো সরকারি চাকুরীজীবি বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠান এবং নিজ ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান খোলার কোনো এখতিয়ার নেই । যদি এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব এবং ওই প্রতিষ্ঠানকে সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হবে জানান।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started